i-Health News

Health News Update

Breaking

Showing posts with label Mental Health. Show all posts
Showing posts with label Mental Health. Show all posts

Friday, October 12, 2018

7:57 AM

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়!

যারা অনেক কিছু মনে রাখতে পারেন, তাদের আমরা বুদ্ধিমান বলি। বাস্তবে সে মানুষটি তার কাজের গতি বাড়াতে সক্ষম হন। আমরা সবাই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চাই এবং সেটা যারা সহজে করতে চান তারা প্রথমেই ওষুধের কথা ভাবেন। এলোপ্যাথি কিংবা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন।

বাস্তব বুদ্ধিমত্তার সাথে জন্মগত বা জেনেটিক বিষয় জড়িত আছে ঠিকই, তবে পরিবেশের অবদানও আছে। খুব মনোযোগের সাথে যা শেখা হয়, স্মৃতিতে তার ছাপ দৃঢ় হয়। মস্তিষ্কের লিপিবদ্ধকরণ প্রক্রিয়াটি হয় দীর্ঘস্থায়ী। ফলে সহজে অনেক কিছু দীর্ঘ দিন মনে রাখা সম্ভব হয়। মনোযোগের সাথে মনের সম্পর্কটিই প্রধান। কারণ মন হচ্ছে ব্রেনেরই অংশ, যা চিন্তাচেতনা, অনুভূতি-আচরণ ও বুদ্ধিবৃত্তির সাথে সম্পৃক্ত। বিষয়বস্তুর ওপর মন নিমগ্ন করার অর্থ বা মনোযোগী হওয়ার মূল সূত্রই হচ্ছে শিক্ষণীয় বিষয়ের সাথে ব্রেনের কার্যক্রমকে সুদৃঢ় বন্ধনে রেখে চালিত করা।

স্মৃতি ভিতকে দৃঢ় করতে চোখও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানের যুগে অডিও-ভিডিও শব্দের সাথে আমাদের পরিচিতি দিন দিন বাড়ছে। কানে শোনা, চোখে দেখা ও শোনার মাধ্যমে যদি মিল ঘটিয়ে কিছু শেখা যায়, তা দীর্ঘ দিন মনে থেকে যায়। চোখের সাথে মস্তিষ্কের রয়েছে সরাসরি সংযোগ। চোখ দৃশ্যমান বস্তুর ছবি ধারণ করে, ইমেজ সৃষ্টি করে, ইমেজকে বিশ্লেষণ করে ব্রেনে। প্রকৃত অর্থে বিশ্লেষণের কারণেই আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই।

দৈনন্দিন জীবনে যদি আমাদের চাওয়া-পাওয়া, ব্যর্থতা, হতাশা বা বন্ধুদের সাথে ঝগড়া কিংবা কথা কাটাকাটি ইত্যাদি সব সময় মনের ভেতর সুড়সুড় করতে থাকে, তাহলে ব্রেন নতুন তথ্য সহজেই ধারণ করতে পারে না। তথ্যই যদি লিপিবদ্ধ না হয়, তবে স্মরণ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া : বিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস বলেছেন, স্মৃতিশক্তি হচ্ছে পেশির মতো। নিয়মিত ব্যায়াম করলে পেশি হয় সুদৃঢ়, স্মৃতিকেও তেমনি ধারালো ও সতেজ রাখা যায় নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে। যা শেখা হচ্ছে তা শুধু গড়গড় করে মুখস্থ করে গেলেই চলবে না, একটু নেড়েচেড়ে দেখতে হবে- কী শিখলাম, যা আগেই জেনেছি। তার সাথে নতুন শিক্ষণীয় তথ্যের কোনো মিল আছে কি না এ প্রক্রিয়াকে ইংরেজিতে বলা হয় Elaborative rehearsal।

ধরা যাক শিখলাম, মৌলিক রঙ তিনটি। লাল, নীল, সবুজ। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হয়তো শব্দ তিনটি মুখস্থ হয়ে গেল। কিন্তু কয়েক দিন পর ওই রঙগুলো বাদে অনেক রঙ মৌলিক মনে হচ্ছে।

কিন্তু এভাবে যদি শেখা হয়- লাল সূর্যের রঙ, নীল আকাশের রঙ, সবুজ গাছগাছালির রঙ; তবে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই যদি কোনো অধ্যাপক উদাহরণ দিয়ে পড়ান, সেই উদাহরণের জন্য বিষয়টি মনে থেকে যায়।

এ ছাড়া প্রতিদিন কিছু কিছু বিষয় ঠিক সময়ে করলে তা মনে থাকে বেশি। একসাথে বেশি পড়া শিখতে গেলে স্মৃতিতে ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়। কথায় আছে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের ১০ ফোঁড়।

এ ছাড়া বারবার পড়া, জানা থাকলেও তা বারবার আবৃত্তি করা, মনে আছে এমন বিষয় পর পর করে কয়েকবার রিহার্সাল দিতে পারলে স্মৃতির ভাণ্ডারে আসন পেতে বসে। এতে মগজের বিশেষ বিশেষ স্থানে গাঠনিক কিছু পরিবর্তন ঘটে, বুদ্ধি বেড়ে যায়, শেখার পর লেখার চর্চা করতে পারলে মনে থাকে বেশি। তাই বোধহয় ‘লেখাপড়া’ শব্দ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার আরো একটি সহজ উপায় হচ্ছে ছন্দবদ্ধ করে শোনা। এক লাইন মনে আসার সাথে সাথে মিল থাকার কারণে পরবর্তী লাইনও সহজে মনে এসে যায়। ধাপে ধাপে জটিল বিষয়বস্তুকে যদি সুসংগঠিত করে শোনা যায়, তবে অনায়াসে স্মরণ করা সম্ভব।

কিছু শেখার পর ঘুমোতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যায়। সবশেষে বলা যায়, সবার ওপরে মন, তাই মনের একাগ্রতা অদম্য ইচ্ছা ও দৃঢ়তা থাকলে স্মৃতির ভিত হবে উন্নত ও সমুজ্জ্বল।

বর্তমানে অনেককেই দেখা যায় স্মৃতিশক্তির দুর্বলতায় ভুগতে। হঠাৎ কিছু একটা মনে করতে চাইলেও হয়তো মনে পড়ছে না। চাবি, মোবাইল, ঘড়ি কোথায় রেখেছেন মনে করতে না পারা, কারো নাম ভুলে যাওয়া, একটি কাজ করেছেন কী করেননি, সেটা চট করে মাথায় না আসা ইত্যাদি। এ ধরনের সমস্যাকে আমরা কেউই তেমন গুরুত্ব দেই না। মনে করি, সাধারণ কিছু কিংবা বেশি চিন্তা করি বলে হঠাৎ মাথায় না-ও আসতে পারে বলে উড়িয়ে দিয়ে থাকি।

অনেকে মনে করেন, এটা তেমন কোনো বড় সমস্যা নয়। এই সামান্য ভুলে যাওয়া থেকে স্মৃতিবিভ্রমের মতো মারাত্মক কিছু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমাদের এ নিয়ে অবহেলা না করাই ভালো। আমরা কি জানি, আমাদের এই স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী? আমাদের বাজে অভ্যাস ও কাজের কারণে প্রতিনিয়ত স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। নিচে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার কিছু কারণ এবং প্রতিকার দেয়া হলো।

বিষন্ন থাকা : নানা কারণে অনেককে বিষন্নতায় পড়তে দেখা যায়। বিষন্নতা আপাতদৃষ্টিতে তেমন ভয়ানক কিছু মনে না হলেও এর রয়েছে সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়া। বিষন্নতায় ভোগা মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অনেক কম থাকে। এতে করে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে যায়। বিষন্নতার কারণে অনেকের স্মৃতিশক্তি একেবারে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই বিষন্নতায় থাকা বন্ধ করুন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

মানসিক দ্বন্দ্বে থাকা : অনেক সময় বিভিন্ন কারণে আমরা প্রায় প্রত্যেকেই মানসিক দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগে থাকি। কোনো একটি কাজ করা উচিত হবে কি না, কে কী ভাববে ইত্যাদি ধরনের কথা ভেবে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে অনেক মানসিক দ্বন্দ্বে পড়ি। এই কাজ আমাদের মস্তিষ্কের জন্য কতটা ক্ষতিকর তা আমরা অনেকেই জানি না। মানসিক দ্বন্দ্বে থাকলে আমাদের মস্তিষ্কের নিউরন ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে। এতে করে মস্তিষ্ক স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়। এভাবে দুর্বল হতে থাকে আমাদের স্মৃতিশক্তি। তাই মানসিক দ্বন্দ্ব থেকে যতটা দূরে থাকা সম্ভব ততটাই ভালো।

আবেগ প্রকাশ করতে না পারা : অনেকেই আছেন, যারা বেশ চাপা স্বভাবের হয়ে থাকেন। সহজে নিজের আবেগ ও মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন না। মনের ভেতর কী হচ্ছে তা কাউকে বলেও বোঝাতে পারেন না। তাদের স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। আমাদের মস্তিষ্কের ডান পাশের অংশ সমান কাজ করলে আমরা স্বাভাবিক থাকি। একটি অংশের কার্যক্ষমতা কম হলে আমাদের মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। এতে করে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়। এভাবেই আমাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে থাকে।

ড্রাগস, ধূমপান ও মদপান : ড্রাগস, ধূমপান ও মদপান এ তিনটিই স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়ার জন্য সমানভাবে দায়ী। নিকোটিন ও অ্যালকোহল আমাদের মস্তিষ্কের সাধারণ কার্যক্ষমতা এবং স্বাভাবিক চিন্তা করার শক্তি নষ্ট করে দেয়। যারা ড্রাগ নেন, তাদের সাধারণ যুক্তি ও চিন্তা করার ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। যারা নিয়মিত ধূমপান ও মদপান করেন, তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়।

থিয়ামিনের অভাব : থিয়ামিনের অভাব হলে আমরা স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা রোগে পড়ে থাকি। থিয়ামিন ও ভিটামিন-বি আমাদের নার্ভাস সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এর অভাবে নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে অনেককে ভুগতে দেখা যায়। তাই স্মৃতিশক্তির দুর্বলতাকে অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

ইনসোমনিয়া : অনেকেই কাজের ব্যস্ততায় অনেক কম ঘুমান, যা পরবর্তীকালে অনিদ্রা রোগে পরিণত হয়। এ ছাড়া ঘুম কম হওয়া এবং না হওয়ার ওপর একটি মারাত্মক প্রভাব হলো স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া। আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্কে নতুন নিউরনের সৃষ্টি হয়, যা আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে সঠিক রাখে। ঘুম কম বা না হলে মস্তিষ্ক তা করতে পারে না, ফলে আমাদের স্মৃতিশক্তি দিনের পর দিন দুর্বল হতে থাকে, যা পরবর্তীকালে শর্ট টার্ম মেমোরি লসের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই প্রতিদিন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১১ অক্টোবর ২০১৮ (অনলাইন)

Saturday, November 30, 2013

1:09 AM

স্ট্রেস ও মন-দৈহিক পরিবর্তন

স্ট্রেস দেহ-মনে প্রতিক্রিয়া ঘটায় “Fight or Flight” একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেহ-মন সুরক্ষা হয় এই প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে আবার অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন ব্যক্তির দেহের সুরক্ষা হাতছাড়া হয়ে যায় নানা ধরনের অস্বস্তিদায়ক উপসর্গ অনুভূতি তাদের কাবু করে ফেলে
একেক জনের মধ্যে একেক ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তবে সাধারণত প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে কমন কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়:
  •   হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা বেড়ে যায়
  • হার্ট সময় স্ট্রং বিট দিতে থাকে রক্ত দ্রুত গতিতে পেশির দিকে ছুটে যায় হার্টে ফিরে আসে আবার পেশির দিকে যায়
  • অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ কোষে কোষে গ্লুকোজ অক্সিজেনের চালান বাড়িয়ে দেয় ফলে পেশির শক্তি-সামর্থ্য বেড়ে যায় সময় অর্জিত হয় যুদ্ধের শক্তি অথবা বেগবান হয় পালিয়ে বাঁচার শক্তি অর্জিত অতিরিক্ত শক্তি-সামর্থ্য যদি সময় খরচ না হয়, দেহ-মনে ক্ষতিকর উপসর্গ আসন গেড়ে বসে
  • শ্বাস কাজে সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে
  • ফুসফুস সময় বেশি কাজ করে অতিরিক্ত অক্সিজেন রক্তে সরবরাহ করতে হয় উদ্বেগ অবস্থায় এটি উপকারী-মানুষের চিন্তার গতি সময় স্বচ্ছ হয়, পেশির সামর্থ্য বেড়ে যায়
  • দৈহিক অতিরিক্ত শক্তি যদি খরচ না হয়, অক্সিজেনের জ্বালানি যদি না বাড়ে, রক্তে গ্যাসের ব্যালেন্স হারিয়ে যায়, নানা ধরনের বাজে সেনসেশন তখন দেহ-মন আক্রান্ত করে রাখে
  • স্ট্রেস থেকে শ্বাসযন্ত্রে অস্বাভাবিকতা শুরু হয় তবে চিকিৎসার প্রধান শর্তই হচ্ছে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা এবং স্ট্রেস রিঅ্যাকশনের মাত্রা কমিয়ে আনা পেশির টানটান কম্পমান অবস্থা উদ্বিগ্ন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেশিতে টানটান অবস্থা তৈরি হয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাঁপতে শুরু করে পেশি ফলে মাথাব্যথা, ঘাড়ব্যথা কিংবা পিঠব্যথা হতে পারে


ভয়ের মুখোমুখি হলে রক্তে স্ট্রেস হরমোন এড্রিনালিন নি:সৃত হয় বিচলিত অবস্থা তৈরি হয় অস্থিরতা বাড়ে ভয় মোকাবেলার জন্যই দেহে এমনটি ঘটে থাকে অবস্থায় যদি অকর্মণ্যের মতো নিশ্চল থাকতে হয় তবে বিপরীতভাবে আমাদের দেহ-মন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দেহে দুর্বলতা বেড়ে যায় মাথা ঘোরাতে পারে দেহে নানা ধরনের উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে

বমি বমি লাগা, খাদ্যযন্ত্রের সমস্যা
স্ট্রেসে থাকলে পরিপাকতন্ত্রের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, ফাইট করার জন্য দেহের সব অ্যানার্জি তখন ছুটে যায় পেশিতে অতিরিক্ত স্ট্রেসের সময় কোনো খাবার হজমের অপেক্ষা থাকলে পেটের ভেতর থেকে বমি হয়ে বেরিয়ে আসে পেটের ভেতর যেন বাটারফ্লাইয়ের মতো চক্র তৈরি হয়, চরম উত্তেজিত অবস্থা বজায় থাকে বিকল্প উপসর্গ হিসেবে ডায়ারিয়া দেখা দিতে পারে, বারবার বাথরুমে যাওয়ার তাগিদ বেড়ে যেতে পারে ব্লাডার খালি করারআরজেনসি বাড়তে পারে মুখও শুকিয়ে যেতে পারে কারণ সময় দেহের তরল অংশ রক্তের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ছুটে যায়

ঘাম ঝরতে পারে, ফ্লাশিং বেড়ে যেতে পারে দেহের বাইরের সারফেনের দিকে রক্ত ছুটে আসে ধেয়ে আসা রক্তোচ্ছ্বাসের কারণে দেহে উত্তাপ বেড়ে যেতে পারে, হট মনে হতে পারে নিজেকে, মুখ লাল হয়ে উঠতে পারে, ঘাম বের হতে পারে

অতিসঙ্কটময় মুহূর্তে তীব্র অ্যাংজাইটির কারণে উল্টোটি হতে পারে বডি সারফেস থেকে আকস্মিক রক্ত ছুটে যেতে পারে দেহের ভেতরের দিকে তখন মুখে রক্তশূন্যতার চিহ্ন ভেসে উঠে ফ্যাকাশে লাগতে পারে, ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে শরীরের বাইরের সারফেস

অনেক সময় নাটকীয়ভাবে রক্তচাপ কমে যায়, জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে কেউ কেউ আকস্মিক ভয়াবহ স্ট্রেসের কারণে ডেঞ্জার স্পটের প্রতি চোখের দৃষ্টি তির্যক হয়, তীক্ষনোভাবে আমরা দেখে বোঝার চেষ্টা করি পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমনটি ঘটে যায় বেশ কতক্ষণ তাকানোর পর তির্যক দৃষ্টি অন্যত্র সরানো হলে দৃষ্টিপাত স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত অসামঞ্জস্য অ্যাডজাস্টমেন্টের কারণে চারপাশ ঝাপসা মনে হতে পারে প্রথমবার চশমা ব্যবহারের পরও এমন অনুভূতি হতে পারে


স্থায়ী ক্লান্তিকর অলসতা, অস্বাভাবিক নিদ্রালু অবস্থা, অবসাদে সেঁটে যেতে পারে দেহ-মন দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগের কারণে এমনটি ঘটতে পারে উদ্বেগ রিলিজ না হলে দেহ শান্তি অর্থে ঝলসে যায়, পুড়ে যায়, অফুরান ত্বরান্বিত চাহিদা দেহের উদ্দীপনার ওপর প্রেসার তৈরি করে দেহের ফাংশনাল সিস্টেম তখন ভেঙে পড়ে দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগের কারণে তাই অনেকে ঘুমাতে পারে না, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এদের কমে যায়, বিষাদ রোগে আক্রান্ত হয়। সূত্র: ম্যাগাজিন, নভেম্বর ২০১৩।

Sunday, November 24, 2013

12:12 AM

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করবে চকোলেট

নিয়মিত চকোলেট খেলে বয়স্কদের স্মৃতিভ্রম রোগের উপশম হবে এবং বৃদ্ধি পাবে স্মৃতিশক্তি। সম্প্রতি এমনই তথ্য দিয়েছেন ইতালির লেক কুইলা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। গবেষণায় স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া ৯০ জন বয়স্ক লোককে নমুনা হিসেবে নেয়া হয়, যাদের বয়স সত্তরোর্ধ্ব। এদের প্রত্যেককে উচ্চমধ্যম ও নিম্নমাত্রার কোকো পানীয়ের (এক ধরনের উপাদান, যা চকলেটে দেয়া হয়) ডোজ নিয়মিত দেয়া হয়। এতে দেখা যায় এদের মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশ সক্রিয় এবং স্মৃতিশক্তিও তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য, চকলেট উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সূত্র: হেলথ ম্যাগাজিন, অক্টোবর ২০১৩।

Thursday, October 10, 2013

2:45 AM

Mental Illness has Scientific Treatment

মানসিক রোগ বলে কোনো কিছুর অস্তিত্বই স্বীকার করতে চান না অনেকে। গায়েবি আওয়াজ শোনা, ভ্রান্ত কিন্তু দৃঢ়বিশ্বাস, অহেতুক সন্দেহ, আচার-আচরণ বা কথাবার্তার অস্বাভাবিক পরিবর্তন, কনভার্সন ডিসঅর্ডারের (যা হিস্টিরিয়া বা মুর্ছা রোগ নামেই বেশি পরিচিত) উসর্গগুলোকে জ্বিন-ভূতের আছর, জাদু-টোনা-তাবিজ-আলগা বাতাসের প্রভাব বলেই বিশ্বাস করেন অনেকে। আত্মীয়-স্বজন এসব সমস্যায় আক্রান্ত হলে তৎারা চিকিৎসাও করান তেল-পড়া, পানি-পড়া, তাবিজ, ঝাড়-ফুঁক, ‘শিকল থেরাপি’ ইত্যাদির মাধ্যমে। 

অনেকের কাছে মানসিক রোগের উপসর্গগুলো বয়সের দোষ, বিষেয়র জন্য টালবাহানা, ঢং বা ভং ধরা। চিকিৎসার ব্যাপারে এদের বিশ্বাস, ‘মাইরের ওপর ওধুধ নাই!’ কারো কাছে আবার মানসিক রোগের লক্ষণ ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতার বহি:প্রকাশ। কখনো কখনো শারীরিক উপসর্গ যে মানসিক রোগের কারণে হতে পারে, তাও অনেকে মানতে চান না। ফলে মানসিক সমস্যার প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে শারীরিক উপসর্গ নিয়েই ব্যতিব্যস্ত থাকেন তঁারা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, শরীরের যেমন রোগ হয়, তেমনি রোগ হয় মনেরও। এবঙ মানসিক রোগেরও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা রয়েছে। সুতরাং কুসংস্কারের বেড়াজালে আটকে না থেকে মানসিক রোগ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সূত্রঃ কালের কন্ঠ, ১০ অক্টোবর, ২০১৩।