i-Health News

Health News Update

Breaking

Showing posts with label Health News. Show all posts
Showing posts with label Health News. Show all posts

Monday, October 29, 2018

2:11 AM

সামুদ্রিক মাছ হৃদরোগ প্রতিরোধ, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বার্ধক্য প্রতিরোধ ও স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা কমায়

সামুদ্রিক মাছের পুষ্টিগুণ মিঠা পানির মাছের তুলনায় বেশি। আমাদের দেশে সারা বছরই বাজারে বিভিন্ন জাতের সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। প্রজাতি ভেদে সামুদ্রিক মাছের স্বাদও ভিন্ন হয়। কিন্তু পুষ্টিগুণ বিচারে সব সামুদ্রিক মাছই অনন্য।

মাছ একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। তাই দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়রোধে এর ভূমিকা রয়েছে। সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ নামক ফ্যাটি এসিড যা হৃদরোগ প্রতিরোধ ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ও দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় সাহায্য করে।

এছাড়াও সামুদ্রিক মাছ আয়োডিন ও জিংকের অন্যতম উৎস যা থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য খুব উপকারী। বেশিরভাগ সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন এ ও ডি থাকে যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সামুদ্রিক মাছ খুবই উপকারী।

চিকিৎসক ও পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে গোশতের চেয়ে সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার উপকারিতা বেশি। বস্তুত সামুদ্রিক মাছ মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় এক বিস্ময়কর উপাদান। যারা সামুদ্রিক মাছ বেশি খান তাদের স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কম থাকে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এই কমে যাওয়ার হার ৪০ শতাংশ। এছাড়া সামুদ্রিক মাছে রয়েছে প্রচুর সিলোনিয়াম যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরে কাজ করে ও বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ২৮ অক্টোবর ২০১৮ (অনলাইন)

Friday, April 13, 2018

11:37 AM

এসিডিটি এড়াতে করণীয়

খাওয়ার সময় আমরা সাধারণত কার্বোহাইড্রেট (শ্বেতসার) ও প্রোটিন (আমিষ) একসাথে খেয়ে থাকি। সমস্যাটা এখানেই। কারণ পাকস্থলীতে গিয়ে শ্বেতসার যত সহজে হজম হয়, আমিষ কিন্তু তত সহজে হজম হয় না। ফলে বদহজম ও এসিডিটি হয় অনেকেরই। সমস্যাটির সমাধানে পুষ্টিবিদেরা খাওয়ার সময় প্রোটিনের পরিমাণ কম খেতে বলেন। বিশেষ করে গোশত, ডিম ও মাছ অতিরিক্ত গ্রহণের কারণেই বদহজম ও এসিডিটি হয়ে থাকে।

আমিষ হজম হতে বেশি সময় লাগে, আর শ্বেতসার সহজেই হজম হয়ে ভেঙে যায়। অথচ পাকস্থলীতে শ্বেতসার ও আমিষ একসাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। এতে সামগ্রিক হজমপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয়। কিন্তু বাঙালি মাত্রই প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট একসাথে খাওয়ার অভ্যাস। তাই এ সমস্যা সমাধানে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। খেতে হবে আগে শ্বেতসার এবং পরে প্রোটিন। অথবা দুটো একসাথে খেলেও এ দুটোর সাথে প্রচুর সবি জবা সালাদ খেতে হবে। খাওয়ার সময় পানি পানের প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে ঠাণ্ডা পানিতো নয়ই। এতে রক্তনালী সঙ্কোচন হয় এবং ফ্যাট আরো শক্ত হয়ে হজমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এতে দেহের শক্তি হজমে নয়, বরং দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেই বেশি ব্যবহৃত হয়।

তবে খাওয়ার সময় হালকা উষ্ণ পানি পান করলে খাদ্য বেশ সহজে হজম হয়। জাপানিদের খাবার গ্রহণের আগে গরম পানি বা স্যুপ খাওয়ার অভ্যাস আছে। খাবার চলাকালে পানি পান না করাই উত্তম। তবে অল্প পানি পানে খুব একটা সমস্যা হয় না। খাবার সহজে হজম এবং এসিডিটি প্রতিরোধ করার জন্য খাবারের এক বা আধা ঘন্টা আগে ও পরে পানি পান করতে হবে। সূত্রঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত, ২ এপ্রিল ২০১৮।

Thursday, September 28, 2017

10:38 AM

ভিটামিন সি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

ভিটামিন সি সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। বিশেষ করে চোখের লেন্স, কোষের ভেতরকার নিউক্লিয়াস, ত্বক ও হাঁড়ের কোলাজেনকে সুরক্ষা দেয় ভিটামিন সি।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ভিটামিন সি ক্যান্সার ও হৃদরোগসহ অন্য রোগব্যাধি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। লেবু ও লেবুজাতীয় সব টক ফলই ভিটামিন সি’র ভালো উৎস। এ ভিটামিনটি প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

পুষ্টিবিদদের মতে, ভিটামিন সি সরাসরি ক্যান্সারের কোষে আঘাত করে না, বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করতে শরীরকে সাহায্য করে। এছাড়া, ভিটামিন সি হাঁড়ক্ষয় বা ভঙ্গুরতার প্রবণতা হ্রাস করে।

মধ্যবয়সের পর থেকে যেসব নারী বেশি বেশি ভিটামিন সি গ্রহণ করেন, তাদের হাঁড় অন্যদের তুলনায় মজবুত থাকে। এ ভিটামিনটি মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক। দুর্ভাবনা বা অত্যাধিক টেনশনের কারণে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
10:29 AM

ঝাল স্বাস্থ্যে জন্য উপকারী

হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড ও পিকিং বিশ্ববদ্যালয়ের গবেষকেরা সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখান যে, যারা মোটেও ঝাল খান না, তাদের তুলনায় যারা প্রতিদিন বা সপ্তাহে অন্ততঃ দুই-তিন দিন ঝাল খান, তাদের হৃদরোগ, ফুসফুস ও ক্যান্সারজনিত রোগে মৃত্যুর হার কম।

ঝালের মূল উপাদান হলো ক্যাপসেইসিন। এর নানামুখী উপকারিতা রয়েছে। যেমন, এটি পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে সরিয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে। ফলে যারা অতিরিক্ত ঝাল খান তাদের দেহে চর্বি জমার হার সাধারণের তুলনায় কম। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ক্যাপসেইসিনের ভূমিকা আছে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ক্যাপসেইসিন ভূমিকা রাখে। ক্যাপসেইসিন এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রক্তনালীতে চর্বি জমতে দেয় না। হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর স্নায়ুগুলো ক্যাপসেইসিনে সংবেদনশীল। এই স্নায়ুগুলোর সুস্থতায় ভূমিকা রাখে ক্যাপসেইসিন। গবেষকরা বলেন, শুকনো বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচামরিচে ক্যাপসেইসিনের পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচামরিচে ভিটামিন-সিও থাকে অনেক। তাই রান্নায় বা সালাদে কাঁচামরিচ থাকাটা ভালো।

আবার দেখা গেছে, সবুজ কাঁচামরিচের তুলনায় লাল রঙের কাঁচা মরিচ আরো ভালো। কাঁচামরিচের এই গুণগুলো পাওয়া যায় ক্যাপসিকামেও। তাই ঝাল মানেই খারাপ, এই ধারণা একেবারেই ভুল। শাকসব্জি ও তরকারি, মাছ-গোশত এবং ঝোল তরকারিতে অথবা সালাদ জাতীয় খাবারে কাঁচামরিচের টুকরা দিয়ে ঝাল করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট ভালো। বিশেষ করে হৃদরোগীদের জন্য এ ধরনের ঝাল খাওয়া আরো ভালো বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭।