i-Health News

Health News Update

Breaking

Showing posts with label Health Tips. Show all posts
Showing posts with label Health Tips. Show all posts

Monday, October 29, 2018

6:03 AM

ভেজাল দুধ চেনার অব্যর্থ উপায়

একটা অতি প্রয়োজনীয় খাবারে প্রতিদিন ভেজাল দেওয়া হচ্ছে, মানুষ খাচ্ছে। অথচ ধরতেও পারছে না। কারণ উপায় জানাটা সাধারণ মানুষের পক্ষে বেশ শক্ত।

খাদ্যটি প্রতিদিন প্রায় প্রতি পরিবারে অতি প্রয়োজনীয়। সেটি দুধ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে দুধেও মিশছে ভেজাল। তবে দুধে ভেজাল মিশছে বললে ভুল বলা হবে। বরং বলা ভাল, পুরো দুধটাই ভেজাল দিয়ে তৈরি। কীভাবে তৈরি হয় ভেজাল দুধ? সম্প্রতি তা-ই হাতে কলমে দেখিয়েছে হলদিয়ার একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি কলেজের খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগ এবং ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ ফুড সায়েন্সটিস্টস অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (ইন্ডিয়া) এর যৌথ উদ্যোগে অক্টোবর মাসে দু'ধাপে খাদ্য সুরক্ষা সচেতনতা শিবির করে দুধে ভেজালের ভয়ঙ্কর দিকটা হাতেকলমে দেখানো হয়। পড়ুয়ারা ভেজাল দুধ তৈরির পদ্ধতি দেখে বিস্মিত হন।

কীভাবে তৈরি হয় ভেজাল দুধ? তৈরি হয় গুঁড়ো দুধের সঙ্গে একাধিক উপকরণ মিশিয়ে। যে উপকরণগুলোর প্রায় সবটাই শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। বর্ণালী সাহা নামে ওই কলেজের ছাত্রী তথা গবেষকের দাবি, গুঁড়ো দুধের সঙ্গে ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু ইত্যাদি মিশিয়ে তৈরি করা হয় ভেজাল দুধ। ওই সচেতনতা শিবিরে ৪০ মিলিলিটার গুঁড়ো দুধের সঙ্গে বনস্পতি ঘি, ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু-সহ অন্যান্য উপাদান এক মিলিলিটার করে মেশানো হয়। তাতে ৩৫০ মিলিলিটার ভেজাল দুধ তৈরি করা হয়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, যে দুধ ওই কলেজের গবেষকেরা তৈরি করেছিলেন তার সঙ্গে আসল দুধের কোনও ফারাক নেই। গন্ধ-বর্ণ সব কিছু মিলে যায় আসল দুধের সঙ্গে।

কেন দুধে ভেজাল না দিয়ে পুরো দুধটাই ভেজাল উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়? এর একাধিক কারণ রয়েছে। গবেষকদের দাবি, কৃত্রিম উপায়ে বানানো দুধ এক দিনের বেশি টাটকা থাকে। ভেজাল দুধ কোনওভাবে নষ্ট না হওয়ায়, দেশের যে কোনও প্রান্তে রফতানি করা যেতে পারে। তাতে ভেজালের কারবারিদের লাভের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে সুবিধা হল, ভেজাল দুধ ফুটিয়ে খেলেও, ধরার উপায় নেই। চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, কৃত্রিম দুধ বানানোর জন্য যে উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে, তার সবটাই শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। 

কিন্তু ভেজাল দুধ ধরার কি কোনও উপায় নেই? একটা উপায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের দাবি, ভেজাল দুধে এক টুকরো সয়াবিন ফেলে দিলে ঝাঁঝালো গন্ধ বেরোবে। এর কারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া। ভেজাল দুধের উপকরণ কস্টিক সোডা আর সয়াবিনে থাকা উৎসেচক জারিত হয়ে অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে। তাই ভেজাল দুধ থেকে ঝাঁঝালো গন্ধ বেরতে থাকে। কিন্তু এই পদ্ধতি তো আর জানা নেই সকলের। ফলে সেই ক্ষতিকর দুধ পান করে চলেছেন ক্রেতারা। এদিকে দুধ আবার সুষম খাদ্য। শিশু থেকে রোগী কারও উপায় নেই তা বর্জন করার। তা ছাড়া সারা রাজ্যে বহু চায়ের দোকান। সেখানেও লাগে দুধ। ফলে এমন বিষ নিয়মিত পানের আশঙ্কা থেকেই যায়। 


ভেজাল দুধ চেনার আরও ৫টি অব্যর্থ উপায়
১। ভেজাল দুধ হাতে নিয়ে ঘষলে সাবানের মতো অনুভূতি হবে।

২। কিছুটা দুধ নিয়ে তার মধ্যে সালফিউরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দেখুন। যদি নীল রং দেখা যায়, বুঝতে হবে ফর্মালিন মেশানো রয়েছে দুধে।

৩। কয়েক ফোটা দুধ ঘরের মেঝেতে ঢেলে দিন। মাটির ঢাল অনুযায়ী দুধ গড়িয়ে যাবে। দুধ খাটি হলে মেঝেতে সাদা দাগ পড়বে। কিন্তু ভেজাল দুধে কোনও দাগ থাকবে না।

৪। দুই চামচ দুধ একটি কাপে নিন। এতে দুই ফোটা টিংচার আয়োডিন মিশিয়ে দিন। দুধের রং হালকা নীল হলে বুঝবেন, এতে ভেজাল হিসেবে আটা বা ময়দা মেশানো রয়েছে।

৫। আধা কাপ দুধ একটা পাত্রে নিয়ে তার মধ্যে ২ চামচ লবণ দিন। দুধের রং যদি নীল হয়ে যায় বুঝতে হবে এতে কার্বোহাইড্রেট মেশানো হয়েছে। সূত্র: দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা (অনলাইন)

Sunday, October 28, 2018

4:42 AM

ডায়াবেটিস থেকে বাঁচার ২০ উপায়

বুড়োরাই শুধু নয়, বহু তরুণও এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। ডায়াবেটিসের সরাসরি নিরাময় না থাকায় এতে আক্রান্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। তবে কিছু উপায় রয়েছে যা আগে থেকে পালন করলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায়। এ লেখায় রয়েছে ডায়াবেটিস সচেতনতার তেমন কিছু উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. ডায়াবেটিসকে জানুন
শরীরের ইনসুলিনের ভারসাম্যহীনতায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি হয়। সময় থাকতেই ডায়াবেটিস সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। এতে আগে থেকেই রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা যায়।

২. খাবারের পরিমাণ কমান
মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। এ কারণে খাবারের পরিমাণ কমানো উচিত আগেভাগেই। খাবার খাওয়া কমানোর জন্য ছোট ছোট প্লেটে অল্প করে খাবার নিতে পারেন। এছাড়া খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিলেও তাতে খাবারের পরিমাণ কমতে পারে।

৩. শারীরিক অনুশীলন করুন
আপনি যদি নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করেন তাহলে তা নানাভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উপকার করবে। বিশেষ করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন রোগ দূরে রাখায় এর ভূমিকা রয়েছে। এতে ডায়াবেটিসের মতো রোগও দূরে থাকবে।

৪. ওজন কমান
শরীরের ওজন যদি বেশি বেড়ে যায় তাহলে তা ডায়াবেটিসকে ডেকে আনতে পারে। তাই দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. লাল আটার খাবার
ধবধবে সাদা আটা-ময়দা বাদ দিয়ে লাল আটার তৈরি রুটি ও অন্যান্য খাবার খান। এটি আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে।

৬. সকালের নাস্তা গুরুত্ব দিন
সকালের নাস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি কখনোই বাদ দেওয়া ঠিক নয়। সকালের নাস্তায় প্রোটিন যুক্ত করলে তা সারাদিনের ক্ষুধা কমায়। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমন ডায়াবেটিসও দূরে থাকে।
৭. ফ্যাটযুক্ত খাবার বাদ দিন

ফাস্ট ফুড দোকানের জাংক খাবার ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা আপনার রক্তে ক্ষতিকর কোলস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি রক্তের শর্করার মাত্রাও বাড়ায়। তাই এসব খাবার বাদ দিতে হবে।

৮. মিষ্টি পানীয় বাদ দিন
তেষ্টা পেলেই মিষ্টি পানীয় বা কোমল পানীয় পান করার অভ্যাস বাদ দিন। মূলত যে কোনো মিষ্টি পানীয়ই ক্ষতিকর। তাই এসব পানীয় সম্পূর্ণ ত্যাগ করুন।

৯. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
আপনি যদি বিকালের ক্ষুধা নিবৃত্ত করার জন্য অস্বাস্থ্যকর পিজা বা ফাস্ট ফুড বাদ দিয়ে তাজা ফলমূল কিংবা সালাদ খেতে পারেন তাহলে তা ডায়াবেটিস থেকে আপনাকে রক্ষায় সহায়তা করবে।

১০. সবজি খান
অনেকেই সবজি খেতে মোটেই আগ্রহী থাকেন না। যদিও সবজি আপনার বহু উপকার করতে পারে। তাই প্রতিদিন আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন পর্যাপ্ত সবজি।

১১. মানসিক চাপমুক্ত থাকুন
মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে ইয়োগা, মেডিটেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন।

১২. পর্যাপ্ত ঘুমান
রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। এতে আপনার দেহের ওপর চাপ কমবে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ দূরে থাকবে। ঘুমের অভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষতি হয়।

১৩. আঁশযুক্ত খাবার খান
যেসব শাক-সবজি ও খাবারে প্রচুর আঁশ রয়েছে সেসব খাবার খান। এতে আপনার টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম করে আঁশযুক্ত খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। এতে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

১৪. প্রচুর পানি পান করুন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।পানি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম চালানো সহজ করে দেবে। পর্যাপ্ত পানির অভাবে দেহের নানা সমস্যা হতে পারে।

১৫. স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো নীরবেই থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা তা বুঝতে পারেন না। ফলে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

১৬. সূর্যতাপ গ্রহণ করুন
ভিটামিন ডি দেহের ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। আর সূর্যতাপ ভিটামিন ডি গ্রহণের অন্যতম উপায়। তাই নিয়সিক সূর্যতাপ গ্রহণে ডায়াবেটিস দূরে থাকে।

১৭. মসলাসমৃদ্ধ খাবার খান
জার্মান গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনিসমৃদ্ধ খাবার ডায়াবেটিস দূরে রাখতে সহায়তা করে। তাই খাবারে দারুচিনিসহ বিভিন্ন মসলা ব্যবহার করুন।

১৮. সয়ার খাবার খান
সয়া ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে। তাই সয়াযুক্ত খাবার খেয়ে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করুন। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখে।

১৯. গ্রিন টি পান করুন
নিয়মিত গ্রিন টি পান করুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যা রক্তের শর্করা কমাতে ভূমিকা রাখে।

২০. ধূমপান বর্জন করুন
ধূমপানে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো দেহের হরমোনজনিত পরিবর্তন। এ কারণে ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকতে ধূমপান বর্জন করা উচিত।

সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ (অনলাইন)
4:29 AM

যে ১২টি খাবার বুড়োর মত না দেখাতে সাহায্য করে

পরিসংখ্যান বলছে আমেরিকায় বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ সংক্রান্ত গবেষণায় বিনিয়োগের মাত্রা ছাড়িয়েছে ৮ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। এ থেকেই প্রমাণ হয়ে যায় যে, বুড়ো হতে চায় না এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। আপনিও যদি তাদেরই একজন হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিনি এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খাওয়া শুরু করলে ত্বকের বয়স তো কমবেই, সেই সঙ্গে জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো।

প্রসঙ্গত, এই খাবারগুলি খেলে কিন্তু বাস্তবিকই বয়স ধরে রাখা সম্ভব। কথাটা শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না নিশ্চয়? ভাবছেন খাবারের সঙ্গে বয়সের কী সম্পর্ক, তাই তো! আসলে বেশ কিছু খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেমন ধরুন নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বয়স তো কমায়, সেই সঙ্গে শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু বাড়তে সময় লাগে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী খাবারের মধ্যে শরীরের বয়স কমানোর ক্ষমতা রয়েছে...

১. দই
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স কমে চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২. অলিভ অয়েল
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটে ভরপুর এই তেলটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি বয়সজনিত নানা অসুবিধা কমাতেও দারুন কাজে আসে।

৩. জাম
এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা বয়স বাড়ার গতিকে আটকায়। শুধু তাই নয়, ক্র্যানবেরি, স্ট্রবেরি এবং অবশ্যই ব্ল্যাক বেরি শরীরের সার্বিক গঠনের উন্নতি ঘটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন যদি এই ফলটা খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের ভাঙন রোধ হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে শুরু করে।

৪. বাদাম
শরীরকে ভাল রাখতে উপকারি ফ্যাটেরও প্রয়োজন পড়ে। তাই প্রতিদিন বাদাম খান মুঠো ভরে। এতে উপকারি ফ্যাটের পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে দারুন কাজে আসে।

৫. সবুজ শাকসবজি
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কপি পাতা এবং পালং শাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. শস্যদানা
ঝাড়াই করা শস্য দানার পরিবর্তে যদি হোল গ্রেন খাওয়া যায়, তাহলে বয়স বাড়ার হার অনেকটাই হ্রাস পায়। শুধু তাই নয় এই ধরনের খাবার বয়সজনিত নানা রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমায়, বিশেষত হার্টের রোগ হওয়ার পথ আটকায়। প্রসঙ্গত, আস্ত শস্যদানায় মিনারেল, ভিটামিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফলে দেহের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হতেও সময় লাগে না।

৭. আঙুর
রেজভারেটল নামে একটি যৌগ রয়েছে এই ফলটিতে, যা একাধারে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি- কোয়াগুলেন্ট। এই উপাদান দুটি হার্টকে ভালো রাখে। আর যেমনটা আগেও বলা হয়েছে যে শরীর তখনই চাঙ্গা থাকে, যখন হার্ট সুস্থ থাকে। তাই সুস্থ, রোগমুক্ত শরীরের অধিকারি হয়ে উঠতে প্রতিদিন একবাটি করে আঙুর খাওয়া মাস্ট! 

৮.মটরশুঁটি
হার্টকে নানা ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মটরশুঁটির কোনো বিকল্প নেই। তাই আপনি যদি দীর্ঘদিন জোয়ান থাকতে চান, তাহলে হার্টকে সুস্থ রাখতেই হবে। তাহলেই দেখবেন শরীরের বয়স কমতে থাকবে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই খাবারটি।

৯. গ্রিন টি
প্রতিদিন এক কাপ করে গ্রিন টি পান করলে শরীরে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে। আর যেমনটা আমাদের সকলেই জানা যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, এমনকি অ্যালঝাইমার রোগ আটকাতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

১০. টমেটো
লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে টমেটোতে, যা ত্বকের বয়স কমায়। শুধু তাই নয়, স্টমাক, লাং এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে প্রতিরোধ করতেও এই সবজিটি দারুন কাজে আসে।

১১. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার
শরীরের বয়স কমাতে এই উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই দেহকে রোগমুক্ত রাখার পাশাপাশি শরীর এবং ত্বকের বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে মটরশুঁটি, ডাল, ব্রকলি, ছোলা, অ্যাভোকাডো এবং ওটমিলের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন!

১২. মাছ
যেমনটা আমরা সকলেই জানি যে মাছে রয়েছে ওমেগা-ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানটি শরীরের অন্দরে যে কোনও ধরনের প্রদাহ কমাতে দারুন কাজে আসে। ফলে শরীরের বয়স বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই সপ্তাহে দুবার অন্তত মাছ খান। এমনটা করলে দেখবেন স্ট্রোক এবং অ্যালঝাইমারের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমবে। ফলে বাড়বে আয়ু।

সূত্র: কালের কন্ঠ অনলাইন

Saturday, October 20, 2018

8:39 PM

কফি খেলেই বাড়বে আয়ু!

এবার সকাল শুরু করুন কফির কাপে চুমুক দিয়ে৷ কারণ, নিয়ম করে কফি খেলেই বাড়বে আয়ু৷ এক গবেষণায় এমন তথ্য জানা গেছে৷ সম্প্রতি কফি খাওয়া ও দীর্ঘজীবি হওয়ার মধ্যে একটি লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ 

পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষের উপর বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চালানো হয়৷ যেখানে গবেষণা অর্ন্তভুক্ত প্রত্যেককেই দিনে ১-৮ কাপ কফি খাওয়ানো হয়৷ যার ফলাফল জামা ইন্টারনাল মেডিসিন নামে একটি মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷

ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সিটিটিউটের এক গবেষক জানাচ্ছেন, ‘যারা প্রতিদিন ২-৩ কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাব কম৷ অন্যদিকে, যারা কফি খাননি তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি কফি খাওয়া ব্যক্তিদের থেকে ১২ শতাংশের বেশি৷’ পুরনো তথ্য ঘেঁটে উঠে এসেছে আরও একটি বিষয়৷ যেখানে বলা হয়, দিনে ৩-৪ কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের উপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে৷ যেটি আবার গত বছর ব্রিটিশ মেডিকাল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷

প্রায় একই তথ্য উঠে এসেছে স্প্যানিশ গবেষকদের হাতে৷ সেখানেও দেখা গিয়েছে, যারা দিনে চার কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম৷ তাই, নিয়ম করে কপি খান৷ যা আপনার কাজের ক্লান্তিকে দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কমাবে মৃত্যুর ঝুঁকিকে৷ তাই সকালটা কফির কাপ হাতে নিয়ে শুরু করুন৷ যেটি আপনার দিনকে করে তুলুক তরতাজা এবং ফ্রেস৷ 

সূত্র: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ (অনলাইন)

Tuesday, October 16, 2018

8:37 AM

হার্ট সুস্থ রাখে যেসব খাবার

তেল সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছঃ মাছের তেলের ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও রক্তনালিতে কোলেস্টেরল জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। সবুজ শাকঃ সবুজ পাতা ও ডাঁটাসুদ্ধ সবজি, পালংশাক, লাউ, কুমড়া, টমেটো, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ভুট্টা, লাল আলু খেতে পারেন। বাদামঃ প্রতিদিন এক মুঠো বাদম রক্তে ক্ষতিকর চর্বি বা কম ঘনত্বেও লিপিডের মাত্রা ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

লাল শাকঃ রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, বিটা-ক্যারোটিন হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে। মিষ্টি কুমড়াঃ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার ফলে কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলঃ পেয়ারা, আমড়া, জাম্বুরা, আমলকী, লেবু, জলপাই, পাকা পেঁপে হার্টের জন্য বেশ উপকারী।

Saturday, April 14, 2018

6:54 AM

পেটের চর্বি কমানোর বিশেষ পানীয়

পেটের মেদ বা ওজন কমানোর জন্য ‘স্যাসি ওয়াটার’ নামের একটি পানীয় বেশ কার্যকরী। যারা অন্য কোনো উপায়ে ওজন কমাতে পারছেন না তারা এই পানীয়টি নিয়মিত পান করে দেখতে পারেন। নিজ বাড়িতেই এটা বানিয়ে নেয়া যায়। এজন্য লাগবে-দুই লিটার পরিমাণ পানি, এক টুকরো আদা, মাঝারি আকারের একটি শসা, একটি বা দু’টি লেবু, কয়েকটি পুদিনা পাতা, দুই চা-চামচ আপেল সিডার ভিনেগার এবং এক টেবিল চামচ মধু।

প্রথমে শসা, আদা, লেবু ও পুদিনা পাতা কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার এই কুচিগুলো এবং মধু ও ভিনেগার দুই লিটার পানিতে নিয়ে ভালো করে নেড়ে ফ্রিজে সারা রাতের জন্য রেখে দিন। পরদিন সকালে এই পানি ছেঁকে একটি জগে রাখুন। এবার সারাদিনের জন্য অর্থাৎ সকালে দুপুরে ও রাতে এই পানীয়টি পান করুন। পান করতে হবে সকালে খালি পেটে এবং অন্যান্য সময় খাওয়ার ঘন্টাখানিক আগে। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, নিয়মিত এই পানীয়টি পান করলে এবং সেই সাথে সঠিক খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে পেটের মেদ খুব সহজেই কমিয়ে আনা যায়।

তবে গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের জন্য এবং পেটে যাদের সমস্যা আছে তাদের জন্য এই পানীয় নয়। প্রতিদিন নতুন করে এই পানীয়টি বানিয়ে নিতে হবে। আপেল সিডার ভিনেগারের অভাবে আচার দেয়ার জন্য ব্যবহৃত ভিনেগারও নেয়া যেতে পারে। সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১৪ এপ্রিল ২০১৮।

Friday, September 23, 2016

11:00 PM

ভিটামিন সি মেদ কমায়

বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি মুটিয়ে যাওয়া লোকদের এক সহজ সমাধান দিয়েছেন। ওজন কমানো এবং শরীরের মেদ পুড়ানোর জন্য তারা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন সি শরীরের মেদ পুড়িয়ে ফেলে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, যাদের রক্তে ভিটামিন সি’র পরিমাণ কম থাকে, তাদের শরীরে ফ্যাট বার্নিং কম হয়। ফলে তারা মুটিয়ে যান। আর যাদের রক্তে প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি থাকে, তাদের দেহের ফ্যাট বার্নিং হয় অন্যদের তুলনায় দ্রুত। তাই তারা মুটিয়ে যান না। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার হলো আমলকি, পেয়ারা, লেবু, কমলা, আঙুর, লিচু এবং সবুজ ও টক জাতীয় অন্যান্য ফল। সবজির মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ও কাঁচামরিচে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। তাই যারা মুটিয়ে যাচ্ছেন, তারা এই ফল ও সবজিগুলো নিয়মিত খেতে পারেন। তথ্যসূত্রঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬।

Monday, May 16, 2016

12:17 AM

Ways to keep the lungs healthy

সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে স্বাস্থ্যকর ফুসফুসের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফুসফুসকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যকর রাখার কয়েকটি উপায় হলো-পরোক্ষ ধুমপান এড়িয়ে চলুন। ধূমপান না করেও যারা ধূমপায়ীদের কাছাকাছি থাকেন বা ধূমপানের সময় আশপাশে থাকেন তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। এতেও ফুসফুসের ক্ষতি হয়। তাই ঘরে, কর্মক্ষেত্রে ও গাড়িতে কেউ ধূমপান করলে তাকে মানা করুন এবং নিজেও ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। বায়ুদূষণ থেকে দূরে থাকুন। ধূমপানের মতো দূষিত বায়ুও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর। কলকারখানায় ব্যবহৃত বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, যানবাহনের ধোঁয়া এর জন্য দায়ী। তাই বায়ুদূষণ হয় এমন বাণিজ্যিক এলাকায বসবাস না করাই ভালো।

ঘরে গাছ রাখুন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে গাছ থাকলে বায়ু পরিশোধিত হয়। ঘরে ১০০ বর্গফুটের মধ্যে দুটি গাছ রাখুন। এর পটের আকার হতে পারে ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে। তবে এর আগে জেনে নেবেন কোন গাছগুলো ঘরে রাখার উপযোগী। ঘরে রাখার জন্য ভালো হলো ফার্ন, স্পাইডার প্ল্যান্ট, পিস লিলি, ব্যাম্বো প্ল্যাম, অ্যালোভেরা ও ইংলিশ আইভি ইত্যাদি গাছ। এছাড়া ঘরের মধ্যে মশা তাড়ানোর জন্য স্প্রে কম ব্যবহার করুন। ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ঢোকে সে ব্যবস্থা করুন। ফুসফুসকে ভালো রাখতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খান। রসুন, পিঁয়াজ, আদা, হলুদ, আপেল, গ্রিন টি ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন। ফুসফুসের পেশিকে ভালো রাখতে দুধ, পনির, মাছ, বাদাম এসব খাবার খাদ্য তালিকায় রাখুন। পাশাপাশি চিনি জাতীয় খাবার, কার্বোহাইড্রেট, কেক, সফট ড্রিংকস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বাড়াতে ব্যায়াম একটি অন্যতম উপায়। নিয়মিত ব্যায়াম করলে হৃৎপি- ও পেশিতে অক্সিজেন পরিবহন করতে ফুসফুসের সুবিধা হয়। এতে মেজাজ ও হৃৎপি- দুটোই ভালো থাকে। ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। সুস্থ থাকতে সাইকেল চালানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

Wednesday, March 12, 2014

10:11 PM

কফি (Coffee) পানে রয়েছে অন্ধত্বের ঝুঁকি

কফি (Coffee) চোখের জন্য কতটা ক্ষতিকর। হ্যাঁ, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিংহাম অ্যান্ড উইমেন্স হসপিটালের গবেষকেরা এ ব্যাপারে এক চমকপ্রদ তথ্য দেন। তারা বলেন, দিনে তিন কাপ বা এর বেশি কফি পান করলে মানুষের দৃষ্টিশক্তি কমে যায় এবং পরিণতিতে অন্ধত্বের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমনকি মাঝারি পরিমাণ কফি পানেও চোখের ভয়ঙ্কর রোগ গ্লুকোমা দেখা দেয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। গবেষণায় বলা হয়, কফিতে রয়েছে এমন কিছু যৌগ যা, অক্ষিগোলকে চাপ সৃষ্টি করে। এ চাপ অব্যাহত থাকলে চোখে গ্লুকোমা দেখা দেয় এবং এতে করে চোখের আইরিশ ও লেন্স থেকে কিছু অংশ মুছে যায়। ফলে অক্ষিগোলকে ফ্লুইড সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। উল্লেখ্য, চোখে ফ্লুইড সরবরাহ কমতে থাকলে এক পর্যায়ে রেটিনার (Retina) সাথে মস্তিষ্কের সংযোগ স্থাপনকারী স্নায়ুকোষগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি হলো অন্ধত্ব। সূত্র: হেলথ ম্যাগাজিন, মার্চ ২০১৪।

Monday, February 10, 2014

1:36 AM

শিশুদের শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ায় টিভি


প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা টিভির সামনে বসে থাকলে শিশুদের অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্যারিসে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে এ তথ্য জানা গেছে। ব্রিটিশ চিকিৎসকেরা তিন হাজারের বেশি শিশুর ওপর গবেষণা চালিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

গবেষকেরা অতিরিক্ত টিভি দেখে এমন সাড়ে তিন বছর থেকে সাড়ে ১১ বছরের শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি হতে দেখেছেন। তারা দেখেছেন, অতিরিক্ত টিভি দেখা শিশু, শৈশবে যাদের শ্বাসকষ্ট ছিল না, প্রায় আট বছর পর তাদের ৬ শতাংশের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। আবার শিশুদের অভিভাবকেরা পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, শ্বাসকষ্ট আছে এমন শিশুরা প্রতিদিন দুই ঘন্টা কিংবা তার বেশী সময় টিভি দেখলে তাদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। যেসব শিশু দুই ঘন্টার কম সময় টিভি দেখে, তাদের তুলনায় দুই ঘন্টার বেশি টিভি দেখে, এমন শিশুদের সাড়ে ১১ বছরের মধ্যে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও প্রায় দ্বিগুন। তাই শিশুদের টিভি দেখার সময় সীমিত করে ফেলাই বোধ হয় অভিভাবকদের বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সূত্র : দৈনিক নয়াদিগন্ত, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।

Sunday, February 9, 2014

11:29 PM

দই (Curd) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়


দই (Curd) ও স্বল্প চর্বিযুক্ত পনির খেলে ডায়াবেটিস (Diabetes) হওয়ার ঝুঁকি প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমে। সাড়ে তিন হাজার ব্রিটিশ নাগরিকের ওপর চালানো এক সমীক্ষার রিপোর্টে ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের নিতা ফরোচি গবেষক দল এ তথ্য দেয়। সমীক্ষার শুরুতে নারী পুরুষের খাদ্য ও পানীয় গ্রহণের অভ্যাসের বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। ১১ বছর ধরে সমীক্ষা চালানোর সময় ৭৫৩ জনের Type-2 Diabetes হয়। এতে দেখা যায় গ্রুপের মধ্যে যারা দই, পনির ইত্যাদি কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খেয়েছে তাদের যারা এসব খাবার খায়নি তাদের চেয়ে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ কম। তবে অন্য খাবার থেকে আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা গেছে দই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২৮ শতাংশ কমায়। এই দলের লোকেরা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ১২৫ গ্রামের সাড়ে চার পাত্র দই খেয়েছে। এ ছাড়া যারা ক্রিসপের বদলে নাশতা হিসেবে দই খেয়েছে তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমেছে ৪৭ শতাংশ। উল্লেখ্য, কেবল কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খেলেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। উচ্চ চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবারের বেলায় এটি প্রযোজ্য নয়। এই গবেষণা প্রতিবেদনটি জার্নাল ডায়াবেটোলজিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র : দৈনিক নয়াদিগন্ত, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।